facebook-pixelআমাদের সম্পর্কে | গণস্বাস্থ্য হোমিও

আমাদের পরিচয়

"আমরা শুধু চিকিৎসা দেই না, দেই আশার নতুন ঠিকানা।" ১৯৯৮ সাল থেকে, গণস্বাস্থ্য হোমিও ক্যান্সারসহ বহু জটিল রোগে রোগীদের প্রাকৃতিক ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছে। শুধু বাংলাদেশেই নয়, আমরা গ্লোবাল ক্যান্সার পেশেন্টদের জন্য একটি বিকল্প নিরাপদ সমাধান তৈরির স্বপ্ন দেখি।

২৫+
বছরের আস্থা ও নেতৃত্ব
১০+
চিকিৎসায় দক্ষতা ও দায়িত্ব
১০,০০০+
রোগীর হাসি, আমাদের অর্জন
আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

আমাদের মিশন ও ভিশন

আমাদের দর্শন

"রোগ নয়, মানুষকে দেখি আমরা।" আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিটি ক্যান্সার রোগীর যন্ত্রণা, ভয় এবং প্রতিদিনের লড়াই আলাদা। চিকিৎসা শুধু প্রেসক্রিপশন নয় — এটি সহানুভূতি, শ্রবণশক্তি ও আত্মবিশ্বাস দেওয়ার একটি যাত্রা। গণস্বাস্থ্য হোমিও সেই যাত্রায় একটি স্নেহভরা সাথী।

আমাদের মিশন

সারা বিশ্বের ক্যান্সার রোগীদের জন্য একটি প্রমাণিত, সাশ্রয়ী ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন চিকিৎসা পদ্ধতি তৈরি করা — যেটি শুধু ওষুধ নয়, বরং আশার আলো। গণস্বাস্থ্য হোমিও আজ শুধু বাংলাদেশে নয়, আন্তর্জাতিক রোগীদের জন্যও একটি বিকল্প নয় — একটি জীবনদায়ী সমাধান।

আমাদের লক্ষ্য

"বিশ্বের প্রতিটি ক্যান্সার রোগীর কাছে হোমিওপ্যাথির শক্তি পৌঁছে দেওয়া।" ২০৩০ সালের মধ্যে, আমরা চাই প্রতিটি মহাদেশে আমাদের প্রতিনিধিত্ব থাকুক — যেখানে রোগী চিকিৎসার আগে বিশ্বাস পায়, এবং প্রতিটি ক্যান্সার কেসের জন্য নিরাপদ বিকল্প খুঁজে পায় গণস্বাস্থ্য হোমিওতে।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন

"প্রকৃতির শক্তি, আমাদের বিশ্বাস"

- গণস্বাস্থ্য হোমিও

আমাদের ইতিহাস

২৫ বছরের যাত্রা

১৯৯৮ সাল থেকে আজ পর্যন্ত, গণস্বাস্থ্য হোমিও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সেবার উৎকর্ষতার নিদর্শন হয়ে রয়েছে। এই সফল যাত্রার কিছু উল্লেখযোগ্য মাইলফলক দেখুন।

১৯৯৮

প্রতিষ্ঠাকাল

ঢাকার মিরপুর এলাকায় একটি ছোট্ট ক্লিনিক দিয়ে গণস্বাস্থ্য হোমিও'র যাত্রা শুরু হয়।

২০০৫

প্রথম শাখা

ঢাকার মোহাম্মদপুরে গণস্বাস্থ্য হোমিও'র দ্বিতীয় শাখা খোলা হয়। এই সময়ে রোগীর সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পায়।

২০১২

গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা

হোমিওপ্যাথিক গবেষণা এবং ঔষধ উৎপাদনের জন্য একটি গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়।

২০১৮

দেশব্যাপী বিস্তার

গণস্বাস্থ্য হোমিও'র ২০ বছর পূর্তিতে দেশের ৫টি বড় শহরে শাখা খোলা হয়। এই সময়ে অনলাইন কনসালটেশন সেবাও চালু করা হয়।

২০২৩

আধুনিক হোমিওপ্যাথিক হাসপাতাল

ঢাকার উত্তরায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন বৃহত্তম হোমিওপ্যাথিক হাসপাতাল উদ্বোধন করা হয়।

আমাদের চিকিৎসক

অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক

গণস্বাস্থ্য হোমিও'র প্রধান চিকিৎসক ডাঃ এস. এম. সারোয়ার ২৫ বছরের বেশি অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একজন প্রশিক্ষিত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক।

গণস্বাস্থ্য হোমিও

ডাঃ এস. এম. সারোয়ার

অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতা

  • ২৫ বছরের বেশি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার অভিজ্ঞতা
  • প্রশিক্ষিত ও সনদপ্রাপ্ত নিম্নলিখিত প্রতিষ্ঠানসমূহ থেকে:
  • বি.এইচ.বি ঢাকা
  • এল.এম.এ.এফ.সি ঢাকা
  • এইচ.ইউ.এ.এন.সি ঢাকা
  • এল.এম.এইচ.পি রাজশাহী
  • রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি
  • বাংলাদেশ মেডিকেল লীগ
  • এফ.ডব্লিউ.ভি ট্রেনিং সেন্টার, নরসিংদী
অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন

চেম্বারের ঠিকানা

ঢাকা চেম্বার

56/1, বায়তুল ভিউ টাওয়ার, (বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটের বিপরীতে) লিফট 11
পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০

হবিগঞ্জ চেম্বার

পপুলার জেনারেল হসপিটাল, নতুন বাসস্টান্ড, হবিগঞ্জ

সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন উত্তর

আমাদের কাছে প্রায়শই জিজ্ঞাসিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর জানতে নিচে দেখুন। আরও জানতে চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

হ্যাঁ, হোমিওপ্যাথি ক্যান্সারের চিকিৎসায় সহায়ক হতে পারে। বিশেষ করে প্রাথমিক ও মধ্য পর্যায়ে এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং মানসিকভাবে রোগীকে শক্ত রাখতে কার্যকর।

যত দ্রুত সম্ভব। প্রথম পর্যায়েই হোমিওপ্যাথি শুরু করলে রোগ নিয়ন্ত্রণ, ব্যথা হ্রাস ও মানসিক শান্তিতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

না, নেই। হোমিওপ্যাথিক ওষুধ প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন। তবে রোগীর অবস্থা অনুযায়ী চিকিৎসক পরামর্শে গ্রহণ করাই উত্তম।

হোমিওপ্যাথি কেমোর বিকল্প নয়, কিন্তু সম্পূরক সহায়ক হতে পারে। বিশেষ করে কেমোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমাতে ও শরীরকে পুনর্গঠনে এটি উল্লেখযোগ্যভাবে সাহায্য করে।

রোগ সম্পূর্ণ নিরাময়ের প্রতিশ্রুতি না দিলেও, হোমিওপ্যাথি ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণ, জীবনমান উন্নয়ন ও দীর্ঘস্থায়ী স্বস্তি দিতে সাহায্য করতে পারে।

আমাদের সমস্ত হোমিওপ্যাথিক ওষুধ জার্মানি থেকে আমদানি করা হয়। জার্মান হোমিও মেডিসিন বিশ্বমানের এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত, যা আমাদের রোগীদের জন্য নিরাপদ ও কার্যকর চিকিৎসা নিশ্চিত করে।

আরও প্রশ্ন আছে? আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

যোগাযোগ করুন